জ্বর একটি উপসর্গ, এটি কোন রোগ নয়। এছাড়া তাপমাত্রা ও আবহাওয়ার হঠাৎ পরিবর্তনের কারণে জ্বর হতে পারে।
জ্বর হলে কি করবেন
জ্বর আক্রান্ত বেশির রোগী ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে থাকে সাধারণত ৫ থেকে ৭ দিনে জ্বর সেরে যায়।
জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে আর কি কি লক্ষণ রয়েছে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
জ্বরের সঙ্গে অন্য যেসব উপসর্গ থাকে তা অন্য রোগ নির্ণয়ে সাহায্য করে।
জ্বর কমাতে প্যারাসিটামল
রোগীর কিডনি সমস্যা বা অন্যকোনো জটিলতা না থাকলে জোর কমাতে ব্যারিস্টটামল গ্রহণ করতে হবে। ১০২ ডিগ্রী ফারেন হাইটের বেশি হলে সাপোজিটরি দিতে হবে।
ব্যতার ওষুধ সেবনে 'না'
জ্বরের কারণে শরীরে ব্যথা থাকলেও কোনো ধরনের ব্যথার ওষুধ সেবন করা যাবে না।
ব্যথার ঔষধ সেবনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হতে পারে এবং রক্তকরণ হতে পারে।
বেশি করে তরল জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করুন
জ্বর হলে মুখে রুচি কমে যায়। সুস্থ হওয়ার জন্য চিকিৎসার একটি অংশ হিসেবে খাওয়া-দাওয়া টাও ঠিক রাখতে হবে সঠিকভাবে রোগীকে খাওয়া দাওয়া ঠিক রাখতে হবে অবশ্যই মনে রাখতে হবে তরল জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করাটা খুব ভালো হবে।
খাবারে অরুচি দূরীকরণ
জ্বর হলে বমি বমি ভাব থাকে। যার জন্য খাবার খেতে ইচ্ছা হয় না এবং খাবারের প্রতি ও অরুচি চলে আসে।
বমির ভাব কমাতে ডমপেরিডোম অথবা ডন এ ওষুধটি সেবন করতে পারেন।
জ্বরের রোগীকে সুস্থ করে তুলতে হলে অবশ্যই তরল জাতীয় খাবার এবং পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে ভিটামিন মিনারেলস। উপরের যে দিক নির্দেশনাগুলো দিয়ে হয়েছে সেগুলো মেনে চললে অবশ্যই অল্প দিনের মধ্যে রোগী সুস্থ হয়ে উঠবে।