পেটের গ্যাস এই কথাটা শুনলেই আমাদের অনেকের মধ্যে আসে অস্বস্তি বিব্রতকর পরিস্থিতি ।
এই সমস্যা দেখা দিলে কতটা ঝামেলায় পড়তে হয় তা অনেকেই হাড়ে হাড়ে জানি
বাংলাদেশে গ্যাস্ট্রিক সমস্যার অতিরিক্ত গ্যাস অনেকটাই অসাধারণ একটি বিষয়।
চা পান অতীত তো ঝাল মসলা দার খাবার অনিয়মিত খাদ্য ভাস কিংবা স্ট্রেস। তবে ভালো খবর হচ্ছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি কোন জটিল রোগ নয় বরং কিছু অভ্যাসগত পরিবর্তন ও ঘরোয়া প্রতিকারের মাধ্যমে এটি সমাধান করা সম্ভব
চলুন বিষয়টা ভালোভাবে বুঝা যাক নিম্নের নিচে আর্টিকেলে বোঝানো হচ্ছে ।
কেন অতিরিক্ত গ্যাস হয়?
অতিরিক্ত গ্যাস বা গ্যাস্ট্রিক সমস্যা সাধারণ হলেও, এটি অনেক সময় এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায় যে আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলে বাংলাদেশ এর প্রেক্ষাপটে দেখা যায় খাদ্য বাস ও জীবনযাত্রার ধরনের এই সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে তারা ওরা করে খাবার খাওয়া রাস্তায় খাবারে ঝুঁকি পড়া চা কপি নির্ভরতা এবং স্ট্রেস বিষয়ে গ্যাস্ট্রিক সমস্যা । গ্যাস তৈরি হয় মূলত দুইভাবে অতিরিক্ত বাতাসে গিলে ফেলা এবং অন্রে খাবারের অসম্পূর্ণ হজম।
১. দ্রুত খাওয়ার অভ্যাস
খাবার খাওয়ার সময় যদি দ্রুত গিলেন বা খাওয়ার সময় কথা বলেন তাহলে শরীরে যে অপ্রয়োজনীয় বাতাস ঢুকে পড়ে। এই বাতাস অনেক সময় পাকস্থলীর আগেই খাদ্যনালীতে আটকে গিয়ে গ্যাস তৈরি হয়
২. কার্বননেটেড পানীয়
সফট ড্রিঙ্কস বা কার্বনেটেড পানীয়তে থাকা কার্বন ভাই এক্সাইড গ্যাস পেটের মধ্যে গিয়ে ফুলে উঠে। অথচ এটি গ্যাস বাড়ানো অন্যতম উৎসব।
৩. চুইংগাম ও হার্ড ক্যান্ডি
এগুলো মুখে রাখলে আমরা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বার গিলে ফেলি যার সঙ্গে বাতাসও পেটে যায়। এ সময় পেটের ভিতর গ্যাস জমাতে শুরু করে।
৪. ধূমপান
ধূমপান শুধু ফুসফুস নয়, পেটের উপরেও প্রভাব ফেলে প্রতিভার দুয়া টানার সময় হাওয়া পেতে চলে যায় যার ফলে গেসের রূপ নেয়।
অতিরিক্ত গ্যাসের ঘরোয়া চিকিৎসা
যখন পেটে অস্বস্তি হয়, ফাঁপা বাপ থাকে, কিংবা বারবার ডেকুর উঠতে থাকে তখন তাৎক্ষণিক কিছু ঘরোয়া উপায়ে চিকিৎসা করতে পারেন। নিম্নের নিচে তা অনুসরণ করা হলো
আদা চা - হজম সহায়ক
আদা একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টি ইন প্লে ম্যাড ফ্রি উপাদান যা হজমের শক্তি বাড়ায় এবং অন্রের গ্যাস দ্রুত বের হতে সাহায্য করে এক কাপ গরম পানিতে কিছুটা কুচি করা আদা ফুটিয়ে দিনে এক থেকে দুবার পান করতে হবে।
জিরা পানি গ্যাস কমানোর প্রাচীন পদ্ধতি
জিরা পেট ঠান্ডা রাখে এবং পাচ্ছেন তন্ত্রের গতি স্বাভাবিক রাখে এক চামচ জিরা হালকা বেজে একগ্লাস পানিতে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে খেতে পারেন
খাবারের পর হালকা হাটা
খাবারের পর দশ থেকে ১৫ মিনিট হালকা হাঁটলে শুধু গ্যাসই নয় কাবার হজমও ভালো হয়। আর আপনি যদি খাবার খেয়ে বসে থাকেন বা শুয়ে পরা গ্যাস আটকে রাখে এবং সমস্যা বাড়িয়ে তুলে।