
র্যাবের গাজীপুরের টঙ্গীতে উদ্ধারের তিনদিন পর ট্রাভেল ব্যাগে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় এক যুবকের খণ্ডিত লাশের উদ্ধারের পর রহস্য উদ্ঘাটন করেছে র্যাব। পরিকল্পিত এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে মূল পরিকল্পনাকারীসহ তিনজনকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, নিহত যুবকের নাম অলি মিয়া (৩৫)। গ্রেপ্তাররা হলেন আপেল মাহমুদ সাদেক (৪২), সাজ্জাদ হোসেন রনি (২৫) এবং আপেলের স্ত্রী শাওন ব
র্যাবের বিষয়টি, শিকারি ব্যক্তি অলি মিয়া আসামি আপেলের স্ত্রীর পরিচিতি বলে অবমাননাকর মন্তব্য করেছিলেন। আরো, তিনি এমনভাবে এই ধরনের ঘটনা পূর্বে সাজ্জাদের মারধর এবং আপেলের ভাগ্নেকে হত্যা করার পরিকল্পনা জানতেন। এই নিয়ে আপেল ও সাজ্জাদ মিলে তাকে হত্যার পরিকল্পনা নেন।
কীভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটে
৬ আগস্ট ভোরে প্রথমেই ট্রেন দুর্ঘটনার মতো সাজিয়ে হত্যা করার চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে আপেলের বাসায় নাস্তার পর দরজা বন্ধ করে দড়ি ও বেল্ট দিয়ে পা বেঁধে, বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে অলি মিয়াকে হত্যা করা হয়।
সেদিন সন্ধ্যায় বাজার থেকে ছুরি, স্কচটেপ, পলিথিন ও ব্যাগ এনে লাশ টুকরো করা হয়। মাথা গোপনে অন্যত্র লুকিয়ে রাখা হয়, আর বাকি অংশগুলো পলিথিনে প্যাক করে বাসার সানসেটের ওপর রাখা হয়।
লাশ ফেলা
৮ আগস্ট ভোরে শুরু করে দুর্গন্ধ বের হতে লাশ থেকে ব্যাগে ভরে অটোরিকশায় করে টঙ্গী স্টেশন রোডে ফেলে দেওয়া হয়। খবর পাওয়ার পরে খণ্ডিত লাশ খুলে পুলিশ স্থানীয়দের ব্যাগ খুলে।
গ্রেপ্তারের অভিযান
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে র্যাব তাদের অবস্থান শনাক্ত করেছে। পরে র্যাব-১ ও র্যাব-৭ এর সমন্বিত অভিযানে তিনজনকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে। agn/এটি গ্লো নি